
তাপ নষ্ট করা বন্ধ করুন: ওয়েফারগুলোর জন্য সোনার রিফ্লেক্টরগুলো কেন গুরুত্বপূর্ণ?
সত্যি বলতে, যখন আপনি ওয়েফারগুলো শুকান বা ফটোরেসিস্টগুলোকে সংরক্ষণ করেন, তখন প্রতিটি অপচয়মূলক উয়াট মানেই অর্থের অপচয়। বেশিরভাগ কারখানাগুলো সাধারণ অ্যালুমিনিয়াম রিফ্লেক্টর ব্যবহার করে; কিন্তু সমস্যা হলো এগুলো ইনফ্রারেড শক্তির বেশিরভাগ অংশকে শোষণ করে নেয়। এটা আপনার সিস্টেমের জন্য একটি সমস্যা।
এখানেই সোনার কোটিংয়ের ভূমিকা শুরু হয়।
বিজ্ঞানগত দিক:
অ্যালুমিনিয়াম বা স্টেইনলেস স্টিলের তুলনায় সোনা ইনফ্রারেড আলোককে আরও ভালোভাবে প্রতিফলিত করতে পারে। রিফ্লেক্টরের উপর পাতলা সোনার স্তর লাগানো মানে হলো ঐ ফোটনগুলোকে বলা যে “যন্ত্রের অভ্যন্তরে চলে যাবেন না—ওয়েফারের দিকেই ফিরে যান।”
এর ফলে ছড়িয়ে থাকা তাপকে একটি নির্দিষ্ট দিকে পাঠানো যায়। ভোল্টেজ বাড়ানোর দরকার নেই; ফলে যন্ত্রের উপর চাপও কম পড়ে।
নিয়ন্ত্রণ ঠিক রাখা:
শুধুমাত্র সোনা লাগিয়ে সুইচ চালু করলেই হবে না। এমন করলে সমস্যা হবে। পাওয়ার নিয়ন্ত্রণের জন্য ডিজিটাল ইনফ্রারেড ড্রায়ার কন্ট্রোলার দরকার। কেন? কারণ যদি খুব দ্রুত অতিরিক্ত তাপ ওয়েফারে পড়ে, তাহলে থার্মাল শক হবে। আমরা এই কন্ট্রোলারগুলোকে উচ্চ-ঘনত্বযুক্ত ল্যাম্পগুলোর সাথে ব্যবহার করি; যাতে সমগ্র পৃষ্ঠে সমানভাবে তাপ পড়ে। যদি কন্ট্রোলার ও ল্যাম্পগুলো একই ভাষায় কাজ না করে, তাহলে কিছু জায়গায় অতিরিক্ত তাপ জমে যাবে। আর কেউই এটা চায় না।
কারখানার বাস্তবতা:
দেখুন, সোনা সব সমস্যার সমাধান নয়। এটা খুবই ব্যয়বহুল। এছাড়া, এটা একটু সংবেদনশীলও।
যদি আপনার প্রক্রিয়ায় ক্ষয়কারী গ্যাস বা অনেক ধূলিকণা থাকে, তাহলে এই কোটিংটি নষ্ট হয়ে যাবে। রিফ্লেক্টরগুলো কার্যকর থাকতে হলে সেগুলোকে সবসময় পরিষ্কার রাখতে হবে।
আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো: যেহেতু সোনা তাপকে খুব দক্ষতার সাথে কেন্দ্রীভূত করে, তাই আপনার কুলিং ফ্যানগুলোকেও যথাযথভাবে কাজ করতে হবে। যদি আপনি যন্ত্রের অভ্যন্তর থেকে তাপ বের করতে না পারেন, তাহলে ওয়েফার ঠান্ডা থাকার সময়ই আপনার ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রগুলো নষ্ট হয়ে যাবে।
সমাধান হলো সবকিছুকে একটি নির্ভুল PID লুপের মাধ্যমে সংযুক্ত করা। এটাই প্রতিটি উয়াট থেকে সর্বোচ্চ মূল্য পাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ উপায়।