
ঠান্ডার কারণে আপনার বাইরের বসার জায়গাটি অকেজো হয়ে যাওয়া থামান। এটা খুবই হতাশাজনক দৃশ্য—জানুয়ারি মাসেও সুন্দর বাইরের বসার জায়গাটি ফাঁকা থাকে। বেশিরভাগ মানুষ এর সমাধান হিসেবে সাধারণ হিটার ব্যবহার করেন; কিন্তু সমস্যা হলো—এগুলো শুধুমাত্র বাতাসকে উত্তপ্ত করার চেষ্টা করে। যদি একটুও বাতাস থাকে, তাহলে সেই উষ্ণতা আপনার অতিথিদের কাছে পৌঁছানোর আগেই অদৃশ্য হয়ে যায়। এজন্যই আমরা মিরর-রিফ্লেক্টর ইনফ্রারেড হিটার ব্যবহার করি। এগুলো বাতাসের বিরুদ্ধে লড়াই না করে সরাসরি মানুষ ও আসবাবপত্রগুলোকে উত্তপ্ত করে। এটা এক ধরনের ভিন্ন ধরনের উষ্ণতা—এটা দূরে চলে যায় না; সরাসরি আপনার শরীরে পৌঁছায়। গোপন রহস্যটি হলো আয়নাটিতে। সাধারণ ইনফ্রারেড ল্যাম্পগুলো উষ্ণতা সব দিকে ছড়িয়ে দেয়—এটা বিদ্যুৎর অপচয়। আমরা ল্যাম্পটির ঠিক পিছনে উচ্চ-গুণমানের অ্যালুমিনিয়াম আয়না ব্যবহার করি। এর ফলে সেই উষ্ণতা সরাসরি নিচে ছড়িয়ে যায়। আপনি যেখানে চান সেখানেই বেশি উষ্ণতা পান—টেবিলের উপর। এতে বিদ্যুৎ খরচও কম হয়। প্রযুক্তিগত বিষয়গুলো সম্পর্কে কিছু কথা… যদি আপনি এগুলো ব্যস্ত রেস্তোরাঁগুলোতে ব্যবহার করেন, তাহলে বিদ্যুৎ ব্যবহার নিয়ে সাবধান থাকতে হবে। আপনি একই সার্কিটে ১০টি ২০০০ ওয়াটের হিটার ব্যবহার করলে সমস্যা হবে। আমরা সাধারণত বিভিন্ন ফেজে বিদ্যুৎ বণ্টন করার পরামর্শ দিই। সবচেয়ে ভালো ব্যাপার হলো—এগুলো শর্টওয়েভ ইমিটার ব্যবহার করে। অতিথিরা বসার সাথে সাথেই উষ্ণতা অনুভব করেন। অপেক্ষা করার দরকার নেই। যখন মানুষরা দ্রুত আরাম অনুভব করে, তখন তারা বেশি সময় ধরে থাকেন, আর আপনার টেবিলগুলোও দ্রুত পরিপূর্ণ হয়। একটি বিষয় মনে রাখবেন… যেহেতু এই বিমগুলো খুবই কেন্দ্রীভূত, তাই কিছু জায়গায় অতিরিক্ত উষ্ণতা হতে পারে। যদি কোনো অতিথি ঠিক বিমটির নিচে বসেন, তাহলে তার জন্য এটা অস্বস্তিকর হতে পারে। সমাধান হলো উচ্চতা নিয়ন্ত্রণ করা। আমরা সাধারণত এগুলোকে ২.৫ থেকে ৩ মিটার উঁচুতে স্থাপন করি। এতে উষ্ণতা সব দিকে ছড়িয়ে যায়, ফলে সবাই আরাম অনুভব করেন। যখন আপনি ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতেও আপনার বাইরের বসার জায়গাটিকে খোলা রাখেন, তখন আপনি আবহাউয়াকে আর সমস্যা হিসেবে দেখবেন না। আপনার বাইরের জায়গাটি সারা বছর ধরেই অর্থ উপার্জনের উৎস হয়ে উঠবে।